সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠিত শ্রমিক ইউনিয়নের বাইরে ছিল। উচ্চ বেতন ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের সুযোগ তাদেরকে ইউনিয়ন গঠনের থেকে দূরে রেখেছিল।
কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত উন্নয়ন এবং এর ফলে কাজের প্রকৃতিতে পরিবর্তন, যেমন শ্রম স্থানচ্যুতি ও নজরদারি বৃদ্ধির আশঙ্কা, অনেক কর্মীকে উদ্বিগ্ন করেছে। Google ও Anthropic-এর মতো কোম্পানির কর্মীরা AI নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।
শ্রমিকরা AI ব্যবহারের ফলে কাজের সৃজনশীলতা কমে যাওয়া এবং নজরদারি বৃদ্ধির মতো বিষয় নিয়ে সংগঠিত হচ্ছেন। Communications Workers of America ইউনিয়ন AI বিষয়ক পরামর্শ কমিটি গঠন করেছে এবং AI নিয়ে দরকষাকষির সরঞ্জাম প্রকাশ করেছে।
রাজনৈতিক ইস্যুও ইউনিয়ন গঠনের একটি বড় কারণ। Google-এর কর্মীরা তাদের কোম্পানির ICE ও অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন, বিশেষ করে AI ব্যবহারের ক্ষেত্রে।
তবে সিলিকন ভ্যালির দীর্ঘ ইতিহাসে শ্রমিক ইউনিয়ন বিরোধী মনোভাব ছিল। Hewlett-Packard-এর মতো কোম্পানি স্টক অপশন দিয়ে কর্মীদের সরাসরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত রাখার মাধ্যমে ইউনিয়ন গঠনের পথ বন্ধ করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, AI ও রাজনৈতিক উদ্বেগ একা ইউনিয়ন গঠনের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে, কারণ অনেক কর্মী H1B ভিসার ওপর নির্ভরশীল এবং চাকরি হারানোর ভয়ে সংগঠিত হতে দ্বিধাগ্রস্ত। তবে রাজনৈতিক ইস্যুতে কর্মীদের সক্রিয়তা অব্যাহত থাকবে।
কর্মীরা মনে করেন, ইউনিয়ন গঠন তাদেরকে নিরাপত্তা দেবে এবং তারা একসঙ্গে হয়ে প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যত ও নীতিমালা প্রভাবিত করতে পারবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাংলাদেশের প্রযুক্তি কর্মীরা বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি শিল্পের পরিবর্তন ও শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের প্রভাব থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারে। AI ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত উদ্বেগ এখানে ও প্রাসঙ্গিক।
সূত্র: Kqed · 11 October 2026, 17:00
প্রকাশক: AmarAI
